back to top
Home গ্রামের খবর টঙ্গীতে ৭ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার

টঙ্গীতে ৭ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার

শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে
উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে পুলিশ; আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

টঙ্গী প্রতিনিধি: গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত মুসলেউদ্দিন টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ক্বরীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এ তথ্য জানান। এর আগে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে ঘেরাও করে মারধর করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

ওসি আরিফ হোসেন বলেন, “অভিযুক্ত শিক্ষককে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

কাউকে জানালে মারধরের হুমকির অভিযোগ-
শিশুটির পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার মাদ্রাসায় শিশুটিকে যৌন হয়রানি করেন বলে মুসলেউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা কাউকে জানালে শিশুটিকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয় বলেও পরিবারের দাবি।

এ ঘটনার পর শিশুটি আতঙ্কিত হয়ে টানা তিন দিন মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ রাখে। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে চাইলে সে তাদের কাছে ঘটনার কথা জানায়।

বুধবার দুপুরে শিশুটির বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে এ বিষয়ে জবাব চান। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার-
একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে ঘেরাও করেন এবং মারধর করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

ওসি আরিফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এখন গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।